এলোমেলো দূঃস্বপ্ন

আলগা রাশে বাঁধন ছাড়া,
উঠবে বেড়ে বল্গা হারা;
হঠাৎ জানি ছাড়বে এ নীড়,
ভাসবে দু-কূল স্মৃতির নদীর।

এপার থেকে দেখছি দুরে,
অনেকটা পথ যাচ্ছো ঘুরে;
এড়িয়ে এ ঘর, কীসের লাভে?
পাথর হয়ে, মনটা ভাবে।

সূর্যস্নানের যাত্রী পথিক,
হয়তো তোর এ পথটি সঠিক;
আশংকারা সবই ভ্রমে,
বুঝবো ঠিকি সময়ক্রমে।

ক্লান্ত হয়ে পড়লে কভু,
আসিস ফিরে; হয়তো প্রভু;
ঐ ওপারে ডাকবে মোরে,
প্রবল তৃষা দেখবো তোরে।

=x=x=x=x=x=x=x=x=

শুনছো খবর? ব্যাপার জবর!
আমিই নাকি ফুট্টুস!

স্বপ্ন নাকি? জানতে নিজেই,
চিমটি কাটি কুট্টুস।

উউউউফফ্

Advertisements
Posted in Uncategorized | Tagged , , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

নববর্ষ ১৪২৪

বর্ষ শুভ হতেও পারে,
শুভেচ্ছাটা পাক্কা,
ভিআইপিরা রাস্তাঘাটে,
গিট্টু ম‌োদের চাক্কা।

তেঁতুলগুলো হাইকোর্টেতে,
হুলুস্থুল এক কাণ্ড!
হাততালি দেই, আমরা খুশি,
উল্টে রসের ভান্ড।

তিস্তা ভরে আসবে পানি,
স্বপ্ন দেখি ভাত-ঘুমে,
নতুন বছর পালন করি,
উল্লাসে তাই ধুমধামে।

===
(রচনাকাল: ১৪-এপ্রিল-২০১৭, ১লা বৈশাখ ১৪২৪)

Posted in Uncategorized | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

বরাবর: কবি কাকপক্ষী

আবেগ যদি উপচে হৃদয়, না ভিজালো কপোল-চিবুক,
কষ্ট শেলে দুমড়ে বেঁকে, ফাঁটলো যবে এই পোড়া বুক,
অনল শেষে থাকলো পড়ে, সেইতো সেথায় কনক খাঁটি,
শব্দগুলো সাজবে তখন, ফলন দেবে কবি’র মাটি।

অশ্রু-লোনা ঊষরভূমি, সবুজ ফসল হয় না কভু,
বিরান ধূ-ধূ  হালচাষে হায়, কাব্য দেয়ার চেষ্টা তবু;
বৃথাই শ্রম-এ গোবর মাথায়, দুপাশ মোছা গদ্য লেখা,
ময়ূরলেজে কাক কখনো, মধুর সুরে গায় না কেকা।

কাব্যমালা মনের খোরাক, উদরপুরে ট্যাকের জোরে,
খ্যাতির খ্যাতা পুড়াও ভায়া, অজাত কবি ঘুমাক দুরে।
কাটলে পোকা জোলাপ দিয়ে, তেল পানিতে ঠান্ডা মাথা,
উত্তেজনার ক্ষণিক সামাল, ক্ষমায় বাঁচে রূদ্র ব্যাথা।

======
শব্দার্থ:
অজাত: জন্মায়নি এমন; জন্মহীন (এই অর্থে শব্দটি অজাতো উচ্চারিত হয়); হীনজাতীয়, নীচজাতীয়; জারজ (এই অর্থে শব্দটি অজাত্ উচ্চারিত হয়)।  নীচ জাতি বা বংশ, অঘর, যে জাতি বা বংশের সঙ্গে সামাজিক ক্রিয়াকলাপ চলে না
অনল: আগুন
ঊষর: যে মাটিতে ভালো ফসল উত্পন্ন হয় না, অনুর্বর (ঊষর মরু); যার মাটি নোনা বা ক্ষারময়
কপোল: গণ্ড; গাল
কনক: স্বর্ণ; সোনা
কেকা: ময়ূরের ডাক
চিবুক: দুই ওষ্ঠের নিম্নদেশ; থুতনি
বিরান: জনশূণ্য; বিধ্বস্থ বা পতিত
রূদ্র: শিব; কুপিত বা ক্রুদ্ধ অবস্হায় শিবের প্রলয়মূর্তি; উগ্র, ভীষণ (রুদ্র রূপ); সংহারক (রুদ্র রোষ)
শেল: প্রাচীন অস্ত্রবিশেষ, শূল (শক্তিশেল); শেলতুল্য যন্ত্রণাদায়ক বস্তু
======

Posted in Uncategorized | Tagged , , , , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

মন ভাইরাস

উঁচানিচা দাঁত আর পুতিপুতি চোখে,
তবু সুন্দরী তুই, গেছি আমি বখে।
মনে ধরা ভাইরাসে, হিড়িম্বা দেবী,
ঢুলু চোখে মায়া নেশা, লা-বিউ বেবী!

বেশি বেশি হরমোনে কল্পনা ঘোড়া,
খাঁদাবোঁচা মুখে তার  বড় বড় ফোঁড়া …
তাতে কি-বা আসে যায়, মন ভরা সুখে,
যাস নারে ছেঁড়ে তুই, ঘাঁই লাগে বুকে!

 

(৭-ফেব্রুয়ারী-২০১৭)

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

পুড়ে পুড়ে ধোঁয়া উড়ে

heartburn

উড়ে উড়ে, গেল দুরে, যোগাযোগ বন্ধ,
পুড়ে পুড়ে, ধোঁয়া ওড়ে, নাকে আসে গন্ধ।
যায় যাক, দুরে থাক, থাকে যদি ওয়াইফাই,
ফেসবুক, চ্যাট খুব, সেলফিটা মিস নাই।

ফোন দেবে, এই ভেবে, গেলে যদি সব্বাই,
চুপচাপ, হতবাক, চিন্তায় ধুর্-ছাই।
ঘোরা শেষে, অবশেষে, ফেরা ছাড়া গতি নাই,
দিন গুনে, টেনশনে, নীড়ে মরি অযথাই।

(১৯-ডিসেম্বর-২০১৬)

Posted in Uncategorized | Tagged | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

নীল ছড়া

Neel-chhora

অত্যাচারে স্ব-সমর্পন,
ক্ষতবিক্ষত শেষে হামলা;
বাষ্পে ফোলা এ বদন,
অসহায় শেষ মামলা।

স্মৃতির রং ডলে ডলে,
ধুয়ে ফেলা নীল কষ্ট;
দুনয়নে ছড়া ফলে,
মায়াগুলো বড় স্পষ্ট।

তীব্র মায়া ভালবাসা,
ব্যাথায় বিবস বলি হায়;
স্মৃতিভীড়ে থাকে ঠাসা,
যাচ্ছে, দেখি অসহায়।

স্নেহের আধার হারায়,
নীলাকাশে তারা বেশে;
হাসিমুখ স্মরি মায়ায়,
কাঁদি স্মরণের শেষে।

==

(২০-জুলাই-২০১৫)

Posted in Uncategorized | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

সংযমেতে থাকছি বেশ!

চপ-পিঁয়াজু, বুট-ছোলা,
খেতাম রোজই দুই বেলা!
এখন মাস এই সংযমে,
একবেলাতে তাই কমে!

হালিম-খেজুর-শরবতে,
খেতাম সেতো রোজ বটে!
এই বেলা এই সংযমে,
একবেলাতে তাই কমে!

মাছের পেটি, দুধ-ভাতে,
থাকতো রোজ-ই দই পাতে!
সামলে চলার সংযমে,
একবেলাতে তাই কমে!

সব কিছুর-ই দাম চড়া,
খাচ্ছে মফিজ সব ধরা!
খাদ্য বিলাস রঙঢঙে,
শিক্ষা বিরাট সংযমে!

পেট খালি তাই মেজাজ টং,
কম সময়ে কাজের ঢং;
লেট অফিসে আর্লি শেষ,
সংযমেতে থাকছি বেশ!

==

(২৪-জুন-২০১৬)

Posted in Uncategorized | Tagged | ১ টি মন্তব্য